ব্যস্ত কুয়ালালামপুর ছেড়ে আমরা এখন সেলাঙ্গরের পথে। গন্তব্য বাতু কেভ। শহরের কেন্দ্র পেরিয়ে ট্যাক্সি উত্তরের দিকে এগোচ্ছিল। জানালার বাইরে উঁচু ভবনের সংখ্যা ক্রমেই কমে যাচ্ছিল। চোখে পড়ছিল রাস্তার ধারের দোকানপাট, ছোট ছোট বসতি আর দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত মানুষ।শহরের চেনা ব্যস্ততা থেকে দূরে যাওয়ার এই পথটুকু আমার ভীষণ ভালো লাগে।
গন্তব্যের দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে আগাম অনেক কিছু জানা গেলেও পথে জানালার বাইরে যে জীবন চোখে পড়ে, সে বিবরণ সচরাচর কোথাও লেখা থাকে না। অথচ অপরিচিত একটি জায়গা চিনতে সেই দৃশ্যের ভূমিকা কম নয়।বাতু কেভে পৌঁছেই প্রথমে চোখে পড়ে সোনালি মুরুগান মূর্তি। পেছনে চুনাপাথরের পাহাড়। পাহাড়ের গা বেয়ে উঠে গেছে রঙিন সিঁড়ি। ৪২ দশমিক ৭ মিটার উঁচু মূর্তিটির সামনে দাঁড়ালে মুরুগানের বিশালত্ব টের পাওয়া যায়।
মূল গুহামন্দিরে পৌঁছাতে পেরোতে হয় ২৭২টি ধাপ।সিঁড়ি ভাঙতে ভাঙতে একসময় হাঁপ ধরে গেল।
সূত্র: প্রথম আলো