হবিগঞ্জ শহরতলির ধুলিয়াখালে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের ‘সাইট অ্যান্ড সার্ভিসেস আবাসিক প্লট উন্নয়ন প্রকল্প’-এর ১৩২টি প্লটের বিপরীতে গত ফেব্রুয়ারিতে ৬৯৬টি আবেদন জমা পড়ে। প্লট পাওয়ার আশায় আবেদনকারীরা প্রায় পাঁচ কোটি টাকা জামানত দিয়ে আট মাস ধরে অপেক্ষায় থাকলেও এখনো লটারি অনুষ্ঠিত হয়নি। এর মধ্যে গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ নতুন করে আবারও আবেদন নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করায় আবেদনকারীদের মধ্যে চরম অনিশ্চয়তা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, লটারির কার্যক্রম শুরু হলেও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ জি কে গউছের অনুরোধে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় তা স্থগিত করে পুনঃআবেদনের সিদ্ধান্ত নেয়। সংসদ সদস্য জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে অনেকে বিষয়টি জানতে পারেননি বলেই মানুষের অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়াতে তিনি এ অনুরোধ করেছিলেন। জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের সিলেট বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নেজামুল হক মজুমদার জানান, মন্ত্রণালয়ের আদেশ অনুযায়ী পূর্বের ও নতুন আবেদন মিলিয়ে লটারির আয়োজন করা হবে।
এদিকে নিয়ম মেনে আবেদন করার আট মাস পর এমন সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্লটপ্রত্যাশীরা। তাঁদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব ও অনিয়মের সুযোগ তৈরির উদ্দেশ্যেই এই কালক্ষেপণ করা হচ্ছে। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর জেলা সাধারণ সম্পাদক মিছবাহুল বারীও মন্তব্য করেন, জামানতের অর্থ ফেলে রেখে বিলম্ব না করে কর্তৃপক্ষের উচিত জমা হওয়া আবেদন থেকেই দ্রুত লটারির মাধ্যমে প্লট বরাদ্দ দেওয়া।
সূত্র: প্রথম আলো