দুর্নীতি, ঘুষ, স্বজনপ্রীতি, সরকারি বা অপরের সম্পদ আত্মসাৎ এবং আমানতের খেয়ানত মানুষের এই আত্মিক ভিত্তি তথা ইমানকে ধীরে ধীরে ক্ষয়িষ্ণু করে ফেলে।অসাধু উপায়ে উপার্জিত অর্থ বা ক্ষমতা আপাতদৃষ্টিতে বাহ্যিক সাফল্য এনে দিলেও তা মানুষের নৈতিক চেতনাকে পঙ্গু করে দেয় এবং আত্মিক জীবনকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয়।পবিত্র কোরআন–হাদিসের আলোকে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, দুর্নীতি কীভাবে পর্যায়ক্রমে মানুষের ইমানকে দুর্বল ও নিঃশেষ করে।সহিহ বুখারি, হাদিস: ২৪৭৫কোনো লোক যখন মানুষের দৃষ্টির সামনে মূল্যবান সম্পদ লুণ্ঠন বা আত্মসাৎ করে, তখন সে মুমিন থাকে না।১. অন্তরের আলো বিনাশ অন্যায় ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ বা সুবিধা মানুষের অন্তরে পাপের দাগ তৈরি করে।
মানুষ যখন বারবার দুর্নীতিতে লিপ্ত হয়, তখন তার বিবেকবোধ লোপ পায় এবং অন্যায় কাজকেও সে স্বাভাবিক মনে করতে শুরু করে।এই অবস্থাকে কোরআনের ভাষায় ‘রান’ বা অন্তরের মরিচা বলা হয়েছে।
মহান আল্লাহ বলেন, ‘কখনো নয়, বরং তারা যা অর্জন করত, তা-ই তাদের অন্তরে মরচে ধরিয়েছে।’ (সুরা মুতাফফিফীন, আয়াত: ১৪)অন্তরে যখন অন্যায়ের মরচে পড়ে, তখন ইমানের শুভ্র আলো আর সেখানে স্থায়ী হতে পারে না।পেশাগত জীবনে দুর্নীতি মুক্ত থাকতে ইসলামের ১০ নির্দেশনা২. ইমানের চেতনার অনুপস্থিতি দুর্নীতিতে লিপ্ত অবস্থায় মানুষের সক্রিয় ইমানি সচেতনতা সাময়িকভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে।মহানবী (সা....
সূত্র: প্রথম আলো