ফিতরাতি বাস্তুতন্ত্র তার মানুষ অধ্যয়ন শুরু করে কিছু মৌলিক প্রশ্নের আশ্রয়ে। মানুষ কে, এবং সৃষ্টিজগতের মধ্যে তার অবস্থান ও ভূমিকা কী?এই প্রশ্নের উত্তর থেকে নির্ধারিত হয় মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে কেমন সম্পর্ক স্থাপন করবে, তার জ্ঞানতাত্ত্বিক অবস্থান কী হবে, তার নৈতিক দায়িত্ব কত দূর বিস্তৃত হবে, এবং সভ্যতার দিকনির্দেশ কোন পথে অগ্রসর হবে।
কারণ, প্রকৃতির প্রতি মানুষের আচরণ মানুষের আত্মপরিচয়বোধের সরাসরি প্রতিফলন।ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যা এই আত্মপরিচয়কে এমন এক মানবতাত্ত্বিক কাঠামোর মধ্যে স্থাপন করে। যেখানে মানুষকে বোঝা হয় তিনটি পরস্পরসংলগ্ন পরিচয় দ্বারা।
ক. খলিফা, খ. অংশগ্রহণকারী, গ. জবাবদিহিসম্পন্ন সত্তা।এই তিন পরিচয়ের সমন্বয়ে মানুষের প্রকৃত অবস্থান নির্ধারিত হয়।আধুনিক মানবকেন্দ্রিক সভ্যতা সাধারণত মানুষকে প্রকৃতির ওপর আরোপিত এক ব্যতিক্রমী শক্তি হিসেবে কল্পনা করে।
সূত্র: প্রথম আলো