মোহাম্মাদ বিন সালমান প্রাণ বাঁচাতে আজ এই প্রাসাদে, কাল ওই প্রাসাদে থাকছেন। মাঝে মাঝে বাংকারে লুকাচ্ছেন। কখন কোথায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হবে তার কোনো ঠিক নেই। সময়টা তাঁর মোটেও ভালো যাচ্ছে না।৯ আগস্ট সৌদি আরবের বন্দরনগর জিজানে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল কোম্পানি আরামকোর তেল শোধনাগারে ভয়ংকর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়।এর ঠিক এক মাস পর ৮ সেপ্টেম্বর চার–চারটি শহরে হামলা হয়।
এর মধ্যে খামিস মুশাইত শহরের সামরিক বিমানঘাঁটিতে, আভা এলাকায় আরামকোর স্থাপনায়, নাজরান শহরে ও জিজানে হামলা হয়েছে।এসব হামলায় কমপক্ষে ৭৩ জন আহত হয়। কয়েকটি তেল স্থাপনায় আগুন ধরে যায়।১০ অক্টোবর রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত এবং তিন শর বেশি মানুষ আহত হন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন বাংলাদেশিও ছিলেন।এরপর ১১ ও ১২ অক্টোবর রিয়াদ ও খামিস মুশাইতের দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।
এরপর ১৩ ও ১৪ অক্টোবর দাহরানে আরামকোর সদর দপ্তরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে।মার্কিন ঘাঁটির নিরাপত্তাচাদর ফালাফালা, বাদশাহ-আমিরদের কী হবেহুতির হামলা: ইসরায়েলও কি সৌদিকে সহায়তা করতে এগিয়ে আসছে?এরপর কয়েক দিনের বিরতি।
সূত্র: প্রথম আলো