জীববৈচিত্র্যে ভরপুর সুন্দরবনের নদী ও খালে মাছের প্রজাতির বৈচিত্র্য কম নয়; কিন্তু ভেটকি, পোয়া ও পাঙাশের মতো বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অন্তত আট প্রজাতির মাছ অতিরিক্ত আহরণের চাপে রয়েছে। ছোট মাছ ও পোনা ধরা এবং নদী-খালে বিষ প্রয়োগও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে সুন্দরবনের জলজ সম্পদ নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে নতুন সাত প্রজাতির মাছ ও চিংড়ির উপস্থিতি পেয়েছেন গবেষকেরা।
যেগুলো উপকূলীয় জলসীমায় আগে থেকেই ছিল।সরকারের সুন্দরবন সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় গবেষণাটি পরিচালনা করেছে বেসরকারি সংস্থা সেন্টার ফর ন্যাচারাল রিসোর্স স্টাডিজ (সিএনআরএস) ও আরণ্যক ফাউন্ডেশন। ২০২৪ সালের মার্চ থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত ১৬ মাস ধরে সুন্দরবনের নদী-খালের মাছ, চিংড়ি, কাঁকড়া ও অন্যান্য জলজ প্রাণীর বৈচিত্র্য, বিস্তৃতি, আহরণের প্রবণতা এবং জলজ পরিবেশের অবস্থা নিয়ে গবেষণা করা হয়।
গত ১৩ আগস্ট খুলনার আভা সেন্টারে এক অনুষ্ঠানে ‘সুন্দরবনের জলজ সম্পদের মূল্যায়ন’ শীর্ষক গবেষণার খসড়া প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন গবেষকেরা।পাঁচ মাছ ও দুই চিংড়ির প্রজাতি শনাক্তমাছের প্রজাতি নির্ভুলভাবে শনাক্ত করতে গবেষকেরা ডিএনএ বারকোডিং–পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন।
সূত্র: প্রথম আলো