মেহেরপুর পৌর শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নার্স হিসেবে কর্মরত সুইটি আক্তার। নার্সিংয়ে পড়াশোনা করতে তাঁকে যেতে হয়েছিল ঢাকায়। সেখানে বাসা ভাড়া করে থেকে পড়াশোনার খরচ জোগাতে হিমশিম খেয়েছে তাঁর পরিবার।সুইটি আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, ‘মেহেরপুরে নার্সিং কলেজ না থাকায় আমাদের মতো দরিদ্র পরিবারের মেয়েদের ঢাকায় বাসা ভাড়া করে থেকে পড়াশোনা করতে হয়েছে। এতে অনেক টাকা খরচ হয়েছে।
পড়াশোনার খরচ জোগাতে বাবার বন্ধক রাখা কৃষিজমি দুই বছর ধরে চাকরি করেও ছাড়াতে পারিনি।’সুইটির মতো শিক্ষার্থীদের নিজ জেলায় নার্সিং শিক্ষার সুযোগ করে দিতে প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে মেহেরপুর নার্সিং কলেজ। চারতলা একাডেমিক ভবন, চারতলা ছাত্রাবাসসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে ২০২৪ সালের ২৭ জুন। কিন্তু দুই বছরের বেশি সময় পার হলেও কলেজটিতে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়নি।
শিক্ষক–শিক্ষার্থী নেই, নিয়োগ হয়নি প্রয়োজনীয় জনবল।
সূত্র: প্রথম আলো