রাত দুইটা। নারায়ণগঞ্জের এক বাসায় ল্যাপটপের আলোয় ছবির ওপর একের পর এক বাক্স টেনে ‘গাড়ি’, ‘মানুষ’, ‘সাইনবোর্ড’ চিহ্নিত করে যাচ্ছেন তরুণ ফ্রিল্যান্সার সজীব (ছদ্মনাম)। এই ছোট ছোট কাজই ভবিষ্যতের স্বয়ংক্রিয় গাড়িকে রাস্তা চিনতে শেখায়। সকালে তাঁর চোখ জ্বালা করবে, কিন্তু তাঁর নামটা কোথাও লেখা থাকবে না। এ কাজের নাম ইমেজ ডেটা অ্যানোটেশন বা ছবিতে লেবেল বসানো।
এআই যে ‘নিজে নিজে’ শেখে বলে মনে করা হয়, তার পেছনে আসলে অসংখ্য মানুষের শ্রম থাকে। টিবিএস নিউজের এক প্রতিবেদন বলছে, বাংলাদেশ এই বৈশ্বিক বাজারে উল্লেখযোগ্য অংশ নিয়েছে এবং এর পরিধি ব্যাপক।তবে কথা আছে। এ–জাতীয় কিছু কাজে মজুরি কম। টাইম ম্যাগাজিনের ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে এসেছে, মার্কিন কোম্পানিগুলো আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানকে ঘণ্টায় ১২.৫০ ডলার পর্যন্ত দেয়, অথচ কেনিয়ার কর্মীরা পান মাত্র ২ ডলারের মতো।
বাংলাদেশের একটি বিজ্ঞাপনেও ঘণ্টায় ৩ ডলারে খণ্ডকালীন কাজের প্রস্তাব দেখা গেছে।
সূত্র: প্রথম আলো