অক্টোবরের মাঝামাঝি এক সকালে কুয়াকাটা সৈকতের গাঘেঁষা ঝাউবনে ঢুকলেন একদল পাখিপ্রেমী। গাছগুলো সরু আর উঁচু, দেখলে বিদেশি বনের কথা মনে পড়ে। কাঠঠোকরার ঠকঠক আর হাঁড়িচাঁচার চিৎকারের মধ্যে একটা ফিঙে হঠাৎ তেড়ে গেল বনমালির দিকে। তার পর থেকে ডালপালায় ফিঙের আনাগোনা বেড়ে গেল, বেশির ভাগই অল্পবয়সী। এদের ভিড় থেকে একটা পাখি এসে বসল লতার ওপর।
গা কালো, বুক-পেটে সাদা ফোঁটা, ঠোঁট খাটো আর শক্তপোক্ত, মাথা আর লেজের গড়নও যেন ফিঙের মতো নয়। দুজন একসঙ্গে ক্যামেরা তুললেন। তিনটা ছবি তুলতেই পাখিটা উড়ে গেল।ওই দুজনের একজন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাখিবিশেষজ্ঞ আ ন ম আমিনুর রহমান, যিনি এই পাখিকে খুঁজছিলেন দুই যুগ ধরে। বাংলাদেশে একে দেখার রেকর্ড ১০ বারও নেই। ডুলাহাজারা, ইনানী, কাপ্তাই, হাজারিখিল, লাউয়াছড়া, করমজল আর কুয়াকাটা, এই ক-টা জায়গার নামই খাতায় ওঠা আছে।
আটজনের দলটা রাতের বাসে রওনা হয়েছিল, কিন্তু বাস ছাড়তে দেরি হওয়ায় সকালের সেরা সময়টা আগেই গেল।
সূত্র: প্রথম আলো