মনে আছে, গত বছর ‘ভাইব শিফট’ বা রাজনৈতিক-সামাজিক আবহের পরিবর্তন নিয়ে কত আলোচনা হয়েছিল? কলাম লেখক থেকে শুরু করে করপোরেট প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ—অনেকেই বলেছিলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার অর্থ রাজনীতির পুরোনো নিয়ম ও সামাজিক শিষ্টাচারেরও অবসান।ট্রাম্পের জয়ে সবচেয়ে বেশি আনন্দিত হয়েছিলেন প্রযুক্তি খাতের ধনকুবেররা। তাঁরা ভেবেছিলেন, ট্রাম্প তাঁদের সঙ্গে শ্রমজীবী আমেরিকানদের স্থায়ী রাজনৈতিক জোট গড়ে দেবেন।
ট্রাম্পবাদের মূল কৌশল ছিল ন্যূনতম মজুরিতে কাজ করা শ্রমিকের সঙ্গে এক শতাংশ শীর্ষ ধনীকে এক মঞ্চে আনা। লাতিন ও কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের সঙ্গে বর্ণবাদী মনোভাব পোষণকারীদের এক করা। এমনকি যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টিনের বিরোধিতাকারীদের সঙ্গে এপস্টিনের ঘনিষ্ঠ ধনীদেরও একই রাজনৈতিক শিবিরে রাখা।ইতিহাসের ট্রাম্প-অধ্যায় শেষ হতে চলেছে, ইরান যুদ্ধের কী হবেএই জোট গড়ার কৌশল ছিল শ্রেণিগত বিরোধকে সংস্কৃতিগত বিরোধে পরিণত করা।
শ্রমিকের বেতন বাড়ছে না, জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ছে—এসব প্রশ্ন আড়াল করে সামনে আনা হয়েছে অভিবাসী, বর্ণ ও সংস্কৃতির বিতর্ক।
সূত্র: প্রথম আলো