বাংলাদেশের গ্রামীণ উন্নয়নে তরুণদের অংশগ্রহণের রয়েছে বিপুল সম্ভাবনা। তাঁদের সৃজনশীলতা, উদ্যম, শেখার আগ্রহ ও সামাজিক সম্পৃক্ততাকে কাজে লাগানো গেলে স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও অংশগ্রহণমূলক ও কার্যকর হতে পারে।
বিশেষ করে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি, সামাজিক দায়িত্ববোধ ও নাগরিক সচেতনতা গড়ে তোলার মাধ্যমে ভবিষ্যতের দায়িত্বশীল নাগরিক তৈরির সুযোগ রয়েছে।অন্যদিকে প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাবে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর একটি অংশ বিভিন্ন সরকারি সেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুযোগ সম্পর্কে যথেষ্ট অবগত নন।
স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষাসহায়তা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং অন্যান্য জনসেবার তথ্য সহজবোধ্যভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া তাই গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্র: প্রথম আলো