জঙ্গলের ভাষা না-জানা প্রাণীদেরসভ্যতা প্রথম প্রথম নাম দেয়—মুশকিল অথবা বিপদযারা গর্জনের ভাষা বুঝতে সক্ষমআদতে তারা প্রাণীদের জন্য খুলে দেয় খাঁচার দরজা।যাদের ঘিরে তৈরি হয় লৌহ ব্যাসার্ধকিংবা কাঁটাযুক্ত বোবা কালা বেড়াসভ্যতার একটা শ্রেণি একে বলে কৌতূহলী-শিক্ষাএরপর খাঁচার ভেতরে বন্দী করা হয় প্রাণীটিশিশু থেকে বয়স্করা তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে—কী আশ্চর্য সুন্দর...অথচ খাঁচার ভেতর দাঁড়িয়ে থাকা প্রাণীটি ভাবে—বনের বাইরেও কিছু প্রাণী বাস করেআত্মস্বীকৃতিতে নিজেকে মানুষ দাবি করে—অথচ তারাই সবচেয়ে ভয়ংকর জন্তু!
সূত্র: প্রথম আলো