লংমার্চকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলের নেতাদের বক্তব্যকে উসকানিমূলক, অসহিষ্ণু ও দুরভিসন্ধিমূলক বলে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। তিনি বলেছেন, অপরিপক্ব নেতাদের পক্ষেই এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দেওয়া সম্ভব।
এসব কর্মকাণ্ড প্রমাণ করে, গণতান্ত্রিক রাজনীতির বদলে তাঁরা ক্ষমতা পরিবর্তনের ‘শর্টকাট’ খুঁজছেন।বিএনপির এই নেতা বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সাত মাস বয়সী সরকারপ্রধানকে ‘হেলিকপ্টারে পালানোর’ কথা বলা কিংবা ‘পদত্যাগের’ হুমকি দেওয়ার অর্থ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও জনগণের ভোটের রায়কে অবজ্ঞা ও অস্বীকার করা।
একই সঙ্গে এসব কর্মকাণ্ড তাঁদের ষড়যন্ত্রমূলক রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ।জনগণের রায়কে যাঁরা অসম্মান করেন, তাঁরা দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের বন্ধু হতে পারেন না উল্লেখ করে সৈয়দ এমরান বলেন, যাঁরা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দালালি করেছিলেন এবং পাকিস্তানি শাসনকে ‘স্বর্গ’ বলেছিলেন, তাঁরাই এখন নির্বাচিত গণতান্ত্রিক শাসনকে ‘নব্য স্বৈরশাসন’ বলছেন।আজ শনিবার বিকেলে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় এক জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দ এমরান সালেহ এ কথা বলেন।বিএনপির এই নেতা দাবি করেন, বিরোধী দল সংসদের ভেতরে ও বাইরে স্বাধীনভাবে কথা বলা এবং রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের সুযোগ পাচ্ছে।
সূত্র: প্রথম আলো