দুই বছরের বেশি সময় ধরে ব্যাংক খাতের সংস্কার করে চলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অনিয়ম ঠেকাতে নানা নীতিমালা জারি করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। ব্যাংকের পরিচালকদের যোগ্যতা, দায়িত্ব ও কর্তব্য সুস্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) জন্য ১০০ নম্বরের একটি মূল্যায়ন-কাঠামোও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে এক ডজনের বেশি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে স্বতন্ত্র পরিচালক ও পর্যবেক্ষক বসিয়ে সুশাসন নিশ্চিতের চেষ্টা করে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর বাইরেও কিছু ব্যাংক নিজস্ব উদ্যোগে সংস্কার শুরু করেছে, যাতে ভবিষ্যতে পরিচালনা পর্ষদের নেতৃত্ব নিয়ে কোন্দলের কারণে ব্যাংক সংকটে না পড়ে। এ রকম ঘটলে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়ে ব্যাংক আস্থার সংকটে পড়ে।
আবার কোনো কোনো ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের শেয়ারধারী পরিচালকেরা স্বতন্ত্র পরিচালককে চেয়ারম্যান হিসেবে বেছে নিয়েছেন, যা সুশাসন নিশ্চিত করে ভালো ব্যাংক হিসেবে গড়ে তোলার একটি লক্ষ্য হিসেবে সামনে এসেছে।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সম্প্রতি সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ পরিচালককে পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে এনসিসি ব্যাংক।
সূত্র: প্রথম আলো