‘আমার বাবা পাহাড়ে জুমচাষ করেন। বাড়ি খাগড়াছড়ির দীঘিনালার দুর্গম এলাকায়। সে এলাকা থেকেই আমি এসেছি। পড়াশোনা করেছি খাগড়াছড়ি প্রধান ডাকঘরে কর্মরত কনিকা চাকমার বাসায় থেকে। এরপর পরীক্ষায় জিপিএ–৫ পেয়েছি। আমার জিপিএ–৫ পাওয়ার এ পথটা সহজ ছিল না।’ কথাগুলো বলছিল কষ্পিকা চাকমা। সে চলতি বছর খাগড়াছড়ি নতুনকুঁড়ি ক্যান্টনমেন্ট উচ্চবিদ্যালয় থেকে জিপিএ–৫ পেয়েছে।
আজ রোববার সকালে ‘শিখো–প্রথম আলো জিপিএ–৫ প্রাপ্ত কৃতী সংবর্ধনা ২০২৬’ অনুষ্ঠানে সংবর্ধনা নিয়ে এ কথা বলে সে। খাগড়াছড়ি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের হলরুমে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।‘শিখো–প্রথম আলো জিপিএ–৫ প্রাপ্ত কৃতী সংবর্ধনা ২০২৬’ অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করছেন শিল্পীরা।
আজ সকালে খাগড়াছড়ি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনেসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কষ্পিকা চাকমা বলে, ‘কনিকা চাকমা আমাকে দুর্গম এলাকা থেকে নিয়ে এসে পড়ালেখার সুযোগ করে দিয়েছেন।
সূত্র: প্রথম আলো