ছোট ও মাঝারি শক্তির দেশগুলো খুব কমই নিজেদের ভৌগোলিক অবস্থান বেছে নেওয়ার সুযোগ পায়; তাদের হাতে কেবল সুযোগ থাকে সেই অবস্থানকে কীভাবে কাজে লাগানো যায় তা ঠিক করার। পাকিস্তান অবস্থান করছে দক্ষিণ এশিয়া, উপসাগরীয় অঞ্চল এবং চীনের সংযোগস্থলে।দেশটি উৎপাদনে বেইজিংকে টেক্কা দিতে পারবে না, অর্থ খরচে রিয়াদকে টপকাতে পারবে না, আর ওয়াশিংটনের বৈশ্বিক প্রভাবের সমকক্ষ হওয়াও তার পক্ষে সম্ভব নয়।
কিন্তু পাকিস্তান নিজেকে এমন এক অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে, যাকে কোনো শক্তিই এড়িয়ে যেতে পারবে না। ইসলামাবাদে এখন ঠিক এই হিসাব-নিকাশই উন্মোচিত হচ্ছে—যা কোনো কূটনৈতিক মিষ্টি কথায় নয়, বরং কঠোর বাস্তববাদের চশমা দিয়েই দেখা উচিত।সৌদি–তুরস্ক–পাকিস্তান কেন এক হলোবিষয়টি শুরু করা যাক খোদ মূল ধারণাটি দিয়ে।
জবিগনিউ ব্রজেজিনস্কি তাঁর বিখ্যাত বই ‘দ্য গ্র্যান্ড চেসবোর্ড’-এ এই পরিস্থিতির একটি নাম দিয়েছিলেন: ‘জিওপলিটিক্যাল পিভট’ বা ভূরাজনৈতিক অক্ষশক্তি।
সূত্র: প্রথম আলো