খাল প্রশস্ত করতে ভাঙতে হবে পাশাপাশি দুটি ১০ তলা ভবন। একটি ভবনের তুলনায় অন্যটি পুরোনো এবং আয়তনও কম। কিন্তু ক্ষতিপূরণের জন্য স্থাপনার মূল্য নির্ধারণে দেখা গেছে বড় ধরনের ফারাক। পুরোনো ও তুলনামূলক কম আয়তনের ভবনটির মূল্য ধরা হয়েছে ১৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
আর পাশের নতুন ও বড় ভবনটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় অর্ধেক—৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।স্থাপনার মূল্য নির্ধারণে এই ‘অসামঞ্জস্যের’ ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান বড় প্রকল্পে। প্রকল্পের আওতায় হিজড়া খালের প্রশস্ততা বাড়াতে নগরের কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকায় কনকচাঁপা ও বাদশা নূরী নামে দুটি ভবন ভাঙতে হবে।
ভবন দুটির স্থাপনার ক্ষতিপূরণ মূল্য নির্ধারণ করেছে গণপূর্ত বিভাগের চট্টগ্রাম কার্যালয়।আহমদ মঈনুদ্দিন, পরিচালক, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পকাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকার দুটি ভবনের মূল্য নির্ধারণে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো