অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতি ও জনপরিসরে অভিবাসন এখন সবচেয়ে উত্তপ্ত আলোচনার বিষয়। সিডনি, মেলবোর্নের কিংবা অন্য যেকোনো রাজপথে হাঁটলে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন মূলত দুটি সংকটের কথা শোনা যায়; বাসাবাড়ির ভাড়ার আকাশছোঁয়া বৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার তীব্র ব্যয়ভার। দীর্ঘদিনের এই ক্ষোভ ও রাজনৈতিক উত্তাপের পুরো দায় একপর্যায়ে গিয়ে পড়েছিল অভিবাসীদের কাঁধে।
সেই পটভূমিতেই ক্যানবেরার ন্যাশনাল প্রেসক্লাবে দাঁড়িয়ে দেশটির অভিবাসন ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক অভিবাসনব্যবস্থার এক ব্যাপক সংস্কারের রূপরেখা ঘোষণা করলেন।সিডনির মাটি থেকে প্রতিদিনের অভিজ্ঞতা দিয়ে দেখলে স্পষ্ট বোঝা যায়, ক্যানবেরা থেকে আসা বার্তাটি কোনো সাধারণ রুটিন প্রশাসনিক ঘোষণা নয়।
এর সঙ্গে একদিকে যেমন যুক্ত রয়েছে দেশটির অভিবাসনব্যবস্থার দীর্ঘদিনের তৈরি হওয়া ফাঁকফোকর বন্ধের কড়া প্রশাসনিক তাগিদ, অন্যদিকে রয়েছে আসন্ন ফেডারেল নির্বাচনের আগে ক্ষমতাসীন লেবার সরকারের জনমত ধরে রাখার সূক্ষ্ম রাজনৈতিক চাল।ঘোষিত নীতিতে কী কী বদলাচ্ছেনতুন নীতিমালায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও অস্থায়ী অভিবাসীদের ওপর সবচেয়ে বড় আঘাত এসেছে।
সূত্র: প্রথম আলো