সামাজিক দায়বদ্ধতা আর হৃদয়ের না-বলা টান; এই দুইয়ের টানাপোড়েনে মানুষের সিদ্ধান্ত কখনো কখনো জটিল রূপ ধারণ করে। দুই বিপরীত মেরুর মানুষের মধ্যকার সূক্ষ্ম অনুভূতি, সামাজিক রীতি, সংস্কার ও ব্যক্তিস্বাধীনতার দ্বন্দ্ব নিয়ে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী সৃষ্টি ‘দত্তা’।উপন্যাসটির চরিত্র ও ঘটনাপ্রবাহকে নিজেদের যাপিত জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোয় অনুধাবনের উদ্দেশ্যে পাঠচক্রের আসর করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভা।
১৩ সেপ্টেম্বর বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) ১০ নম্বর কক্ষে এ আসর বসে।মূল আলোচক হিসেবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন বন্ধু সিফাত আল সাকিব।
তাঁর আলোচনায় উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র বিজয়া, নরেন ও বিলাসের সম্পর্কের টানাপোড়েন, ব্রাহ্ম ও সনাতন ধর্মীয় পরিমণ্ডলের সামাজিক দ্বন্দ্ব, তৎকালীন পারিবারিক মূল্যবোধ ও মানসিক দ্বিধাদ্বন্দ্ব উঠে আসে।আলোচনায় অংশ নিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) ক্রীড়া সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো মানবমনের সূক্ষ্ম অনুভূতিগুলোকে খুব সহজে স্পর্শ করতে পারা।
সূত্র: প্রথম আলো