‘ভাই তো মারা গেলই, এখন শেষবারের মতো তাঁর মুখটা দেখতে চাই। লাশ দাফন করতে চাই। তাহলে কিছুটা হলেও আমাদের কষ্ট কমবে।’ কাঁদতে কাঁদতে ফোনে কথাগুলো বলছিলেন সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত চাঁদপুরের মোহাম্মদ শফিকের ছোট ভাই মো. মোয়াজ্জেম হোসেন। আজ সোমবার দুপুরে প্রথম আলোকে তিনি এ কথা বলেন। ১০ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন শফিক (৫২)। মৃত্যুর ১১ দিন পেরিয়ে গেলেও তাঁর মরদেহ এখনো দেশে পৌঁছায়নি।
শফিক চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার গজরা ইউনিয়নের রাঢ়িকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। পাঁচ ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন মেজ। প্রায় ২৬ বছর আগে সংসারে সচ্ছলতা ফেরাতে সৌদি আরবে পাড়ি জমান তিনি। তাঁর স্ত্রী ও দুই ছেলেমেয়ে আছে।পরিবারের সদস্যরা জানান, সৌদি আরবের দাম্মাম শহরের কাছে একটি এলাকায় শ্রমিকের কাজ করতেন শফিক। ১০ সেপ্টেম্বর বাসা থেকে সাইকেলে করে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন তিনি।
কিছুদূর যাওয়ার পর একটি দ্রুতগামী গাড়ি তাঁর সাইকেলে ধাক্কা দেয়।
সূত্র: প্রথম আলো