সামন্ততান্ত্রিক সমাজের নির্মম শোষণ এবং এক হতদরিদ্র কৃষক ও তার অবলা প্রাণীর মধ্যকার অকৃত্রিম ভালোবাসার ট্র্যাজিক রূপ ফুটে উঠেছে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী গল্প ‘মহেশ’-এ। তীব্র অনাহার, সামাজিক বৈষম্য, ধর্মীয় গোঁড়ামি এবং প্রতিকূল বাস্তবতার মধ্যে গফুর ও তার পোষা বলদ মহেশের আত্মিক বন্ধন বাংলা সাহিত্যের এক অবিস্মরণীয় সৃষ্টি।১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৯টায় ‘মহেশ’ নিয়ে ভার্চ্যুয়ালি পাঠের আসর করেছে খুলনা বন্ধুসভা।
গুগল মিটে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ফারজানা যুথি।পাঠচক্রের শুরুতে বন্ধু সুদীপ্ত রায় গল্পের প্রেক্ষাপট, তৎকালীন জমিদার ও সমাজপতিদের শোষণ-নিপীড়ন এবং দরিদ্র কৃষক গফুরের নিঃস্ব জীবনের হাহাকার বিশদভাবে তুলে ধরেন।মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা সম্পাদক সৌরভ ঘোষ বলেন, ‘শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় “মহেশ” গল্পের মধ্য দিয়ে কেবল এক দরিদ্র কৃষকের হাহাকার দেখাননি; বরং দেখিয়েছেন কীভাবে তৎকালীন সমাজব্যবস্থা, জাতপাত ও ধর্মের ভণ্ডামি প্রান্তিক মানুষকে ভেতর থেকে ভেঙে ফেলে।
সূত্র: প্রথম আলো