বার্সেলোনা নামটি উচ্চারণ করলেই আমার মনে ভেসে ওঠে নীল ভূমধ্যসাগর, রৌদ্রোজ্জ্বল আকাশ, শিল্পের অমর সৌন্দর্য, ইতিহাসের দীর্ঘ ছায়া এবং মানুষের অফুরন্ত পদচারণ। স্পেনের এই শহরে এসে কখনো মনে হয়েছে, আমি আধুনিক ইউরোপের এক প্রাণচঞ্চল নগরীতে দাঁড়িয়ে আছি; আবার কখনো মনে হয়েছে, কয়েক শতাব্দী পেছনে ফিরে গেছি—যেখানে রাজা-রানি, নাবিক, বণিক, শিল্পী ও অভিযাত্রীরা নিজেদের স্বপ্ন নিয়ে ইতিহাস রচনা করে গেছেন।
আমার মেয়ে আনিকা ও অনিত আগেই আমাদের স্পেন ভ্রমণের পরিকল্পনা করেছিল। সেই পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল স্পেনের বার্সেলোনা ভ্রমণ। ঐতিহাসিক শহরটি দেখার ইচ্ছা আমার দীর্ঘদিনের। শিল্পী পাবলো পিকাসোর স্মৃতি, স্থপতি আন্তোনি গাউদির বিস্ময়কর সৃষ্টি, ভূমধ্যসাগরের নীল জলরাশি এবং সর্বোপরি সেই দুঃসাহসী নাবিকের ইতিহাস, যাঁর সমুদ্রযাত্রা পৃথিবীর ইতিহাসের গতিপথে গভীর পরিবর্তন এনেছিল।
তিনি ক্রিস্টোফার কলম্বাস।সমুদ্রের নীল থেকে কলম্বাসের স্মৃতিস্তম্ভে—১৬ নভেম্বর ২০২৫, রোববার।
সূত্র: প্রথম আলো