ভোর হলেই কাজের সন্ধানে বেরিয়ে পড়তেন বোধন মাহাতো। কখনো নিজের খেতে কাজ করতেন, কখনো অন্যের জমিতে দিনমজুরি করতেন। কাজ মিললে ঘরে আসত টাকা, না মিললে ফিরতে হতো খালি হাতে। অভাবের সংসারে তখন চুলা জ্বালানোই কঠিন হয়ে পড়ত।বগুড়ার শেরপুর উপজেলার শাহবন্দেগি ইউনিয়নের বাগমারা গ্রামের এই ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বোধন মাহাতোর (৩৫) জীবনে চার বছর আগে আসে একটি ছোট্ট পরিবর্তন।
বোধন ও তাঁর স্ত্রী অনিতা রানী মাহাতো (২০) সরকারি সহায়তায় পাওয়া একটি বকনা বাছুর যত্নে লালনপালন শুরু করেন।অনিতা রানী মাহাতো, গৃহবধূ, শেরপুর, বগুড়াআগে সংসারে অভাব লেগেই থাকত। এখন গরু আছে, আয় আছে। স্বপ্ন দেখি, একদিন বাড়িতেই গরুর খামার করব। সন্তানকে ভালো স্কুলে পড়াবসেই বাছুরটি বড় হয়েছে। এরই মধ্যে তিনটি বাছুরও দিয়েছে। দুটি এঁড়ে বাছুর আট মাস বয়সে বিক্রি করে সেই টাকা দিয়ে আরেকটি গাভি কিনেছে পরিবারটি।
এখন গরু পালন থেকে আয় আসে।
সূত্র: প্রথম আলো