মানুষের জ্ঞান যত বৃদ্ধি পেয়েছে, প্রজ্ঞা তত বেড়েছে—ইতিহাস এমন সাক্ষ্য দেয় না। অনেক সময় জ্ঞান বেড়েছে, ধ্বংসও বেড়েছে। প্রযুক্তি উন্নত হয়েছে, আবার মানবিকতা সংকুচিত হয়েছে। তথ্যের বিস্তার ঘটেছে, আবার সিদ্ধান্ত হয়েছে আরও বেশি বিভ্রান্ত।এই বাস্তবতা সওয়াল করে—ইলম ও হিকমাহ কি একই জিনিস? নাকি জ্ঞান ও প্রজ্ঞার মধ্যে এমন একটি দূরত্ব আছে, যা অতিক্রম না করলে মানুষ সত্যিকার অর্থে জ্ঞানী হতে পারে না?
ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যা এই প্রশ্নের উত্তরেই হিকমাহর একটি জ্ঞানতত্ত্ব নির্মাণ করে।এই দর্শনে প্রজ্ঞা জ্ঞানের পরিমাণ নয়; জ্ঞানের পরিণতি। অনেক তথ্য জানা মানুষকে তথ্যবান করতে পারে, বহু শাস্ত্রে দক্ষতা তাকে বিদ্বান করতে পারে, কিন্তু শুধু সঠিক সম্পর্কের মধ্যে জ্ঞানকে স্থাপন করার ক্ষমতাই তাকে প্রাজ্ঞ করে।কারণ, ইলম বস্তু, ঘটনা ও ধারণাকে জানতে শেখায়; হিকমাহ শেখায় তাদের যথার্থ স্থান নির্ধারণ করতে। জ্ঞান বলে, কী আছে?
প্রজ্ঞা বলে কোনটি কোথায়, কখন এবং কী উদ্দেশ্যে প্রয়োগযোগ্য।
সূত্র: প্রথম আলো