‘অভাব-অনটনের মধ্যে বড় হয়েছি। আমার বাবার ছোট্ট একটি চায়ের দোকান ছিল। ২০১৫ সালে বাবা মারা যান। তখন আমি প্রাক্-প্রাথমিকের শিক্ষার্থী। বাবাকে হারিয়ে ছোট বোন আর আমাকে নিয়ে মা একেবারে দিশাহারা হয়ে পড়েন। সেই থেকে অভাব কাকে বলে, তা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি। কখনো খেয়ে, কখনো না খেয়ে কেটেছে আমাদের দিন। পড়ার টেবিলের ছিল না। মামারা মাঝেমধ্যে সামান্য সহযোগিতা করেছেন। মামারাও কৃষিকাজ করেন।
তাঁদের সামান্য সহযোগিতা আর মায়ের অদম্য চেষ্টায় কোনো রকমে চলেছে পড়াশোনা। তাই জিপিএ-৫ পাওয়াটা আমার জন্য অনেক বড় কিছু। এটা কেবল আমার নয়, আমার মায়েরও সাফল্য।’আজ বুধবার সকালে লক্ষ্মীপুরে অনুষ্ঠিত শিখো-প্রথম আলো জিপিএ-৫ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এভাবেই নিজের এ অভিজ্ঞতা তুলে ধরে দালাল বাজার ফাতেমা গার্লস হাইস্কুল থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থী নুজহাতী নুর।
সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।জিপিএ ৫ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান উৎসবে রূপ নেয় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে।
সূত্র: প্রথম আলো