সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব শুধু নিজের সুখ ও ভোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এই মর্যাদার মূল দাবি হলো সমগ্র সৃষ্টিজগতের প্রতি দয়া, ইনসাফ ও অভিভাবকত্ব নিশ্চিত করা।মহানবী (সা.) ছিলেন সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য প্রেরিত এক জীবন্ত রহমত—‘রাহমাতুল্লিল আলামিন’। (সুরা আনবিয়া, আয়াত: ১০৭)তাঁর সেই দয়ার ছায়া থেকে বঞ্চিত হয়নি কোনো অবলা পশু বা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কীটপতঙ্গও।
নবীজির পবিত্র সুন্নাহর আলোকে প্রাণীর প্রতি মমত্ববোধ ও জীবকল্যাণের সাতটি মৌলিক শিক্ষা নিচে তুলে ধরা হলো:১. পশুর বিশ্রাম নিশ্চিত করার নির্দেশ গৃহপালিত পশুর কাছ থেকে শুধু সেবা নেওয়া নয়, বরং তার সুস্থতা ও আহার নিশ্চিত করা মালিকের জন্য শরিয়তসম্মত ফরজ দায়িত্ব।একবার রাসুল (সা.) পথ চলতে গিয়ে ক্ষুধায় পেট পিঠের সঙ্গে লেগে যাওয়া একটি উট দেখতে পান।পশুর এই কষ্ট দেখে তিনি অত্যন্ত ব্যথিত হন এবং সমবেত সাহাবিদের লক্ষ্য করে বলেন, ‘এই অবলা ও নির্বাক পশুগুলোর ব্যাপারে তোমরা আল্লাহকে ভয় করো!
যখন তোমরা এদের পিঠে আরোহণ করবে, তখন এদের সুস্থ-সবল রেখেই আরোহণ করবে; আর যখন এদের খাবার দেবে বা এদের কাছ থেকে কাজ নেবে, তখনও এদের প্রতি যত্নবান হবে।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ২৫৪৮)অর্থাৎ পশুর ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত কাজ করানো কিংবা তাকে ক্ষুধার্ত রেখে তার ওপর চড়ে বসা ইসলামের দৃষ্টিতে সুস্পষ্ট অপরাধ।২. মুখে আঘাত করায় অভিশাপ তৎকালীন যুগে নিজেদের মালিকানা নিশ্চি...
সূত্র: প্রথম আলো