যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২৪ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দুই দেশের নেতা হিসেবে তাঁদের বৈঠকের প্রভাব অনেক দূর পর্যন্ত পড়বে। তবে ট্রাম্প যদি মনে করেন, চীনের পররাষ্ট্রনীতি মূলত যুক্তরাষ্ট্রকে কেন্দ্র করেই পরিচালিত হয়, তাহলে তিনি ভুল করবেন।সি চিন পিং একই সঙ্গে কঠোর শাসক ও আদর্শবাদী নেতা।
তাঁর পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি ‘সি চিন পিং চিন্তাধারা’। এর কেন্দ্রে রয়েছে তাঁর নিজের নেতৃত্ব ও কমিউনিস্ট পার্টির শাসন টিকিয়ে রাখা। এরপরই রয়েছে বিশ্বে চীনের মর্যাদা ও প্রভাব বাড়ানো। ট্রাম্পের শুল্কযুদ্ধের বিরুদ্ধে চীনের কঠোর অবস্থানও এই অগ্রাধিকারের প্রতিফলন। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের চাপে চীনের নতিস্বীকার করা কঠিন।সি চিন পিংয়ের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো তাঁর কথিত ‘জাতীয় পুনর্জাগরণের চীনা স্বপ্ন’ ২০৫০ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন করা।
এ লক্ষ্য অর্জনে চীন দুটি বড় পথে এগোচ্ছে।
সূত্র: প্রথম আলো