মাগুরা পৌরবাসীর জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহের উদ্দেশ্যে প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পানি শোধনাগারটি চালুর মাত্র সাড়ে পাঁচ বছরের মধ্যে অকেজো হয়ে গেছে।শোধনাগারটি প্রায় ২০ মাস ধরে বন্ধ। ফলে শোধন না করেই ভূগর্ভস্থ পানি সরাসরি সরবরাহ করা হচ্ছে। যে প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল আয়রন, আর্সেনিকসহ ক্ষতিকর উপাদানমুক্ত নিরাপদ পানি দেওয়া, সেটিই এখন পৌরবাসীর দুর্ভোগের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শোধনাগারটি ২০১৯ সালের জুলাইয়ে চালু হয়েছিল।
ঘণ্টায় ৩৫০ ঘনমিটার পানি শোধনের সক্ষমতা ছিল এর। কিন্তু প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ, নির্দিষ্ট সময়ে ফিল্টার উপাদান পরিবর্তন এবং দক্ষ জনবলের অভাবে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে এটি অচল হয়ে যায়। এখন সেটি পড়ে আছে ময়লার আস্তরণ, ঘাস-লতাপাতা ও বিকল যন্ত্রপাতির মধ্যে। প্রায় ৯ কোটি টাকার একটি সরকারি স্থাপনার এমন পরিণতি নিছক কারিগরি ব্যর্থতা নয়; এটি প্রকল্প-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বশীলতার বড় প্রশ্ন।
পানির দুর্ভোগ অবশ্য শুধু শোধনাগার বন্ধ থাকার কারণে নয়।
সূত্র: প্রথম আলো