আজকাল হিন্দুত্ববাদের ঔদ্ধত্য যেন সব সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ভারতের কূটনীতি যখন সবচেয়ে নিচু অবস্থানে, তখনো তারা সভ্যতার নামে বাঁদরামি করতে দ্বিধা করছে না। সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে শেষ হওয়া ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে সদস্যদেশগুলোর সফররত রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্মানে জমকালো নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে সব খাবারই ছিল নিরামিষ—খান্ডভি মিলে-ফুই, খুম্ব গালৌটি, পনির লাবাবদার, মিলেট পোলাও ও জিলাপি।
‘শ্রী অন্ন’ বা মিলেটকে ঘিরেই সাজানো হয়েছিল খাবারের তালিকা।এর উদ্দেশ্য যে ভারতের সভ্যতাগত শ্রেষ্ঠত্ব প্রদর্শন করা, তা ছিল স্পষ্ট। এটি কেবল হাতে গোনা কয়েকটি ব্রাহ্মণ্যবাদী জাতের খাদ্যসংস্কৃতি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা ছিল না। ভারতের খাদ্যসংস্কৃতি হিসেবে মিলেটকে তুলে ধরার পেছনে মোদির ব্যক্তিগত পছন্দও প্রতিফলিত হয়েছে।মিলেট সত্যিই ভারতের দরিদ্র মানুষের প্রধান খাবার। কিন্তু ভারত মণ্ডপমে এটি সে অর্থ বহন করেনি।
যথারীতি দরিদ্র মানুষকে ভিআইপি চলাচলের পথের পাশে কিলোমিটারের পর কিলোমিটারজুড়ে বসানো বিশেষ পর্দার আড়ালে রাখা হয়েছিল।ব্রিকস কি বিশ্বরাজনীতির নতুন কেন্দ্র হতে পারবেচীনের সি চিন পিং ছাড়া সফররত অতিথিরা সবাই নৈশভোজে ছিলেন।
সূত্র: প্রথম আলো