গাইবান্ধায় আজ বৃহস্পতিবার সকালটা ছিল মেঘলা। থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছিল। সকাল ৯টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আসার কথা। তবে অনেকেই এর আগেই এসে উপস্থিত। ফুলছড়ি উপজেলার এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের পিংকি রানী তাদের একজন। পিংকি বলল, নৌকাযোগে দুই ঘণ্টার পথ। তারপর ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় আধা ঘণ্টা লেগেছে। তারপরও মাঠে সাড়ে আটটায় পৌঁছালাম।
তবে দীর্ঘ এই ক্লান্তিকর যাত্রা নিয়ে পিংকির মুখে কোনো কথা নেই; বরং কণ্ঠে শোনা গেল উচ্ছ্বাস—‘বড় অনুষ্ঠান। অনেক আনন্দ হবে। এটা তো আর মিস করা যায় না। এখানে এসে নাশতা খেয়ে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছি, সেলফি তুলছি। ভালো লাগছে।’ জেলা শহর থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার উত্তর বেকাটারি খন্দকারপাড়ার মহিমা খন্দকার অবশ্য আগের দিনই জেলা শহরে এক আত্মীয়ের বাড়িতে ওঠে। শুধু তা–ই নয়, উৎসবে আসবে বলে নতুন পোশাকও কিনেছে।
কণ্ঠে উচ্ছ্বাস, ‘নতুন নতুন বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হবে, কথা হবে—অন্য রকম উত্তেজনা কাজ করছিল।’ শিখো–প্রথম আলো জিপিএ–৫ প্রাপ্ত কৃতী সংবর্ধনায় যোগ দিতে পিংকি ও মহিমাদের মতো শিক্ষার্থীদের পদচারণে সকাল সাড়ে আটটা থেকেই গাইবান্ধা শহরের জেলা স্টেডিয়াম চত্বরে অবস্থিত ‘গাইবান্ধা ইনডোর স্টেডিয়াম’ মিলনায়তন সরগরম হয়ে ওঠে।
সূত্র: প্রথম আলো