কবি কাজী নজরুল ইসলামের পৌরুষ কি শুধু বীরত্ব, নাকি তার গভীরে আছে অভিমান, প্রেম ও আত্মদানের বোধ? উপনিবেশ, জাতপাত ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে তাঁর লড়াইয়ে কেমন ছিল সেই পুরুষকার? নজরুলের সেই স্বতন্ত্র সত্তার উৎস খুঁজেছেন লেখক।‘সেই আমি প্রথম দেখলাম নজরুলকে, অন্য অনেক অসংখ্যের মতোই দেখামাত্র প্রেমে প’ড়ে গেলাম।
চওড়া কাঁধে বলিষ্ঠ তাঁর দেহ, মাঝখান দিয়ে সোজা-সিঁথি করা কোঁকড়া চুল গ্রীবা ছাপিয়ে প্লাবিত, মুখখানা বড়ো ও গোল ছাঁদের, নেত্র আয়ত ও কোণরক্তিম। গায়ে গেরুয়া রঙের খদ্দর পাঞ্জাবি, কাঁধে সূর্যমুখী-হলদে চাদর। কণ্ঠে তাঁর হাসি, কণ্ঠে তাঁর গান, প্রাণে তাঁর অফুরান আনন্দ—সব মিলিয়ে মনোলুণ্ঠনকারী একটি মানুষ।’এই হলেন বুদ্ধদেব বসুর চোখে নজরুল। এই নজরুল সশরীর, মনোলুণ্ঠনকারী এক মানুষ।
শরীরের বাইরে সাহিত্যেও নজরুলের পৌরুষ ও পুরুষকারের এক প্রণয়ন পাওয়া যায়।
সূত্র: প্রথম আলো