নায়ক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে মুম্বাইয়ে এসেছিলেন। কিন্তু ছিল না কোনো বড় পরিচয়, ছিল না চলচ্চিত্রজগতের শক্তিশালী যোগাযোগও। এমনকি নিজের বাড়িতে একটি টেলিফোন পর্যন্ত ছিল না। কোনো পরিচালক বা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফোন করলে সেই খবর পাওয়ার জন্য পাশের মুদিদোকানিকে এক টাকা করে দিতে হতো। প্রতিদিনের অপেক্ষা শেষে সন্ধ্যায় দোকানে গিয়ে জানতে হতো—কেউ ফোন করেছে কি না। প্রায় দুই সপ্তাহ এভাবেই কেটে গিয়েছিল।
অবশেষে একদিন দোকানদার জানালেন, তাঁর জন্য ফোন এসেছিল। ফোন করেছিলেন পরিচালক মহেশ ভাট। সেই ফোনই বদলে দিয়েছিল মুস্তাক খানের জীবন। ১৯৮৮ সালের ‘কবজা’ সিনেমায় সুযোগ পান তিনি। এরপর ‘আশিকি’, ‘দিল হ্যায় কি মানতা নেহি’, ‘সড়ক’, ‘হাম হ্যায় রাহি প্যায়ার কে’সহ একের পর এক ছবিতে কাজ করেন। তিন দশকের বেশি সময়ের অভিনয়জীবনে কখনো নায়ক হননি মুস্তাক। কিন্তু দর্শকের কাছে হয়ে উঠেছিলেন অত্যন্ত পরিচিত একটি মুখ।
‘আশিকি’র মতো প্রেমের সিনেমা থেকে ‘গদার’-এর মতো দেশাত্মবোধক অ্যাকশন ছবি, ‘হেরা ফেরি’, ‘জোড়ি নম্বর ওয়ান’, ‘মুঝসে শাদি করোগি’ থেকে ‘ওয়েলকাম’—বিভিন্ন ঘরানার ছবিতে নানা চরিত্রে দেখা গেছে তাঁকে।
সূত্র: প্রথম আলো