আর কয়েক মাস পরই এসএসসি পরীক্ষায় বসার কথা ছিল মুসরিকা আক্তার মিতুর। নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় একই বিদ্যালয়ের একজনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে তারা বিয়ে করে। বিয়ের তিন মাস পর পরিবারের লোকজন সেই বিয়ে মেনেও নেন। কিন্তু বিয়ের এক বছর না পেরোতেই স্বামীর সঙ্গে অভিমানের পর শোবার ঘরে মিলল সেই কিশোরী গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ।
আজ শুক্রবার ভোরে জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার মামুদপুর ইউনিয়নের চৌতাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মুসরিকা মামুদপুর গ্রামের সাঞ্জাপাড়া এলাকার মাসুদ রানার মেয়ে। তার স্বামী সোয়ায়েব ইসলাম শুভও একই গ্রামের বাসিন্দা। তবে তাদের বাড়ি একই গ্রামে হলেও পাড়া ভিন্ন।
মুসরিকা মামুদপুর উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় একই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র সোয়ায়েবের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ায়।পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে সেচ দেওয়ার কাজ দেখতে যায় সোয়ায়েব ও মুসরিকা।
সূত্র: প্রথম আলো