সোনা কি ধাতু, নাকি খনিজ? আপনার গাড়ির ইস্পাত কেন ধাতু হলেও খনিজ নয়? আবার হীরা খনিজ হয়েও কেন ধাতু হতে পারল না? রসায়ন ও ভূতত্ত্বের এই দারুণ বৈজ্ঞানিক দ্বন্দ্ব কীভাবে আমাদের চিরচেনা বস্তুর পরিচয় বদলে দেয়, তার চমৎকার এবং চমকপ্রদ উত্তর জানতে পড়ুন…জাদুঘরের কাচের বাক্সে রাখা চকচকে সোনার টুকরোর পাশে ছোট্ট পরিচিতি কার্ডে লেখা থাকে খনিজ। আবার কোনো জুয়েলারির দোকানে গেলে সেই একই হলুদ বস্তুকে স্যাকরারা বলেন মূল্যবান ধাতু।
বস্তু একই, কিন্তু তকমা দুটি। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই দুটি কথাই পুরোপুরি সত্যি!বিভ্রান্তিটা শুধু স্বর্ণতে আটকে নেই। আমাদের রোজকার জীবনে ব্যবহৃত গাড়ির বডি তৈরি হয় ইস্পাত দিয়ে। ইস্পাতকে সবাই ধাতু বললেও কেউ কিন্তু খনিজ বলে না। তামার তার একটি ধাতু। আবার খাবার লবণের একটি দানাও খনিজ। হীরাও একটি খনিজ। তাহলে কোন শব্দটি কখন সঠিক?সত্যি বলতে, ধাতু ও খনিজ কোনো প্রতিযোগী শব্দ নয়।
এরা বিজ্ঞানের দুটি সম্পূর্ণ আলাদা শাখার শব্দ এবং এরা দুটি আলাদা প্রশ্নের উত্তর দেয়।
সূত্র: প্রথম আলো