বাংলাদেশ নীরবে প্রবেশ করছে এক নতুন বাস্তবতায়। আমাদের সমাজ ধীরে ধীরে অগ্রসর হচ্ছে ‘প্রবীণ সমাজ’–এর দিকে। বিষয়টি ভাবতে হবে। জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ এখন ষাটোর্ধ্ব। পূর্বাভাস বলছে, আগামী দু–তিন দশকের মধ্যে এই হার দ্বিগুণের বেশি হবে।
অর্থাৎ যে বাংলাদেশ এত দিন তরুণ জনগোষ্ঠীর সুবিধা—তথাকথিত ‘জনমিতিক লভ্যাংশ’—ভোগ করেছে, সেই একই দেশ আগামী দিনে মুখোমুখি হবে ভিন্ন এক চ্যালেঞ্জের। প্রশ্ন উঠছে, এই ক্রমবর্ধমান প্রবীণ জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন মেটাতে রাষ্ট্রীয় কাঠামো, স্বাস্থ্যব্যবস্থা আর সামাজিক নিরাপত্তাবলয় কতটা প্রস্তুত?কাগজে-কলমে বাংলাদেশে প্রবীণদের সুরক্ষায় কিছু আইনি ও নীতিগত কাঠামো রয়েছে।
২০১৩ সালে প্রণীত হয়েছে ‘পিতা–মাতার ভরণপোষণ আইন’, যেখানে সন্তানদের জন্য মা–বাবার ভরণপোষণ আইনগত বাধ্যবাধকতা হিসেবে নির্ধারিত।
সূত্র: প্রথম আলো