সামনে জয়পুরহাট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়, দূরত্ব মাত্র ১৫০ গজ। পেছনে সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়, দূরত্ব ২০ গজ। কাছেই জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও উপজেলা পরিষদ। অথচ সরকারি দপ্তরে ঘেরা এই এলাকায় ৪৬ বছর আগে নির্মিত জীর্ণ ভবনে চলছে জয়পুরহাট নার্সারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান। ভবনের দেয়ালে ফাটল, কোথাও খসে পড়ছে পলেস্তারা। বৃষ্টির সময় ছাদ চুইয়ে শ্রেণিকক্ষে পানি পড়ে।
গত ২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, পাঁচ কক্ষের একতলা ভবনের একটি কক্ষ তালাবদ্ধ। সেখানে পাঠদান হয় না। আরেকটি কক্ষে শিক্ষকদের দাপ্তরিক কাজ চলে। বাকি তিনটি কক্ষে চলে বিভিন্ন শ্রেণির পাঠদান। ভবনের কয়েকটি দেয়ালে ফাটল দেখা গেছে। কোথাও পলেস্তারা খসে ইট বেরিয়ে এসেছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে মাত্র একটি শৌচাগার।বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৮০ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার সময় ভবনটি নির্মাণ করা হয়।
২০১৩ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করা হয়।
সূত্র: প্রথম আলো