ডলফিন, তিমি, ম্যানাটি, সিল ও ওয়ালরাসের মতো অনেক স্তন্যপায়ী প্রাণী পানিতে বাস করে। এদের মধ্যে সিল ও ওয়ালরাস ডাঙা এবং পানি—দুই জায়গাতেই চলাফেরা করতে পারে।অন্যান্য প্রাণীর মতোই এদেরও বেঁচে থাকার জন্য শরীরে পানির ভারসাম্য ঠিক রাখা জরুরি। কিন্তু সমস্যা হলো, পৃথিবীর প্রায় ৯৭ শতাংশ পানিই লবণাক্ত। ডলফিন ও তিমিজাতীয় প্রাণীরা এই নোনাপানিতেই বাস করে।নোনাপানি কিন্তু শরীরকে সহজে পানিশূন্য করে ফেলে।
মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের জলজ প্রাণী গবেষক মার্টিন গ্রোসেল। তিনি জানান, আমাদের শরীরের তরলেও লবণ থাকে, তবে সমুদ্রের পানির তুলনায় তার পরিমাণ বেশ কম। নোনাপানিতে লবণের ঘনত্ব বেশি থাকায় অসমোসিস বা অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় প্রাণীর শরীর থেকে পানি বাইরে বেরিয়ে আসতে চায়।তাই সমুদ্রের পানিতে নামলে শরীর ভিজলেও ভেতরে পানির ঘাটতি তৈরি হতে পারে। শারীরবৃত্তীয় দিক থেকে সমুদ্রে থাকা আর মরুভূমিতে থাকা প্রায় একই কথা।
তবু এসব সামুদ্রিক প্রাণী কীভাবে নোনাপানিতে নিজেদের হাইড্রেটেড রাখে।হৃৎপিণ্ডের প্রতীক এল কোথা থেকে, দেখতে এটি হৃৎপিণ্ডের মতো নয় কেনঅরকা, তিমি, ডলফিন, সিল ও ওটারের মতো অধিকাংশ সামুদ্রিক প্রাণীই মাংসাশী।
সূত্র: প্রথম আলো