উঠানজুড়ে মানুষের জমায়েত। মাঝখানে পাশাপাশি রাখা চারটি খাটিয়া। একটিতে শুয়ে আছেন মা, পাশেরটিতে তাঁর ছেলে। অন্য দুটিতে ওই বৃদ্ধার নাতনি ও নাতনির শিশুসন্তান। খাটিয়াগুলোর চারপাশে তখনো থামছে না স্বজনদের কান্না আর প্রতিবেশীদের দীর্ঘশ্বাস। আগের দিনও এই উঠানে চারজন হাসি-আনন্দে সময় কাটিয়েছে।
আর এক দিনের ব্যবধানে সেখানে চলছে শেষবিদায়ের প্রস্তুতি।আজ শনিবার সকালে জামালপুর সদর উপজেলার দড়িহামিদপুর ভাটিপাড়া গ্রামের এই দৃশ্য দেখে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েন স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকার বাসিন্দারা।‘আমার জামাই, নাতিন আর পুতিও মইরা গেছে, সব হারাইছি’এর আগে শুক্রবার দুপুরে ময়মনসিংহ নগরের রহমতপুর বাইপাস সড়কে রাজীব পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশার চালকসহ সাতজন নিহত হন।
তাঁদের মধ্যে ছয়জনই জামালপুরের বাসিন্দা।আজ সকালে ওই উঠান থেকে মর্জিনা বেগম (২৫) ও তাঁর পাঁচ বছর বয়সী ছেলে মোজাব্বিদ ইসলাম মিনালের লাশ পাশের এলাকা গোড়ারকান্দায় নিয়ে যান তাঁর শ্বশুড়বাড়ির লোকজন।
সূত্র: প্রথম আলো