আলতাফ মাহমুদের সঙ্গে বন্দী হয়ে বেঁচে ফেরা সহযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণায় উঠে এল তাঁর শেষ দিনগুলোর কথা।‘আলতাফ মাহমুদ নিশ্চিত জানতেন তাঁকে হত্যা করা হবে। হানাদার পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তাঁকে ছাড়বে না। তবু তিনি মনোবল অটুট রেখেছিলেন। একটুও সাহস হারাননি। তাঁর কপাল থেকে অনেকখানি চামড়া কেটে ঝুলে পড়েছিল বেয়োনেটের আঘাতে। রাইফেলের বাঁটের আঘাতে মুখের এক পাশ ভয়ানক জখম হয়েছিল। একটা চোখ বুজে গিয়েছিল। সারা শরীরে ছিল আঘাতের চিহ্ন।
ঠিকমতো বসেও থাকতে পারতেন না। আমার কাঁধে মাথা রেখে বলেছিলেন, “আমাকে ওরা ছাড়বে না। আমার জন্য চিন্তা কোরো না। আমাদের দেশ অবশ্যই স্বাধীন হবে।” আমাদের তিনি সাহস না হারাতে বলতেন।’শহীদ সুরকার আলতাফ মাহমুদের শেষ দিনগুলোর স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে এই বর্ণনা দিয়েছেন তাঁর সঙ্গে বন্দিশালায় থাকা বীর মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল আলম বিল্লাহ ওরফে খনু বিল্লাহ।
গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় ছায়ানট মিলনায়তনে স্মৃতি ৭১ আয়োজিত ‘শহীদ আলতাফ মাহমুদের মুক্তিযুদ্ধ এবং তাঁর কয়েকজন সহযোদ্ধার বিস্ময়করভাবে বেঁচে ফেরার গল্প’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে খায়রুল আলম বিল্লাহ অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে আলতাফ মাহমুদের শেষ দিনগুলো ও তাঁদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের বিবরণ দর্শকদের কাছে তুলে ধরেন।
সূত্র: প্রথম আলো