সকালবেলায় যখন রান্নাঘর থেকে চা বা কফির হালকা ঘ্রাণ আসে, মনে হয়, বড়দের দিনটা বুঝি এখান থেকেই শুরু। কেউ কাপে চুমুক দিয়ে খবরের কাগজ খোলেন। কেউবা সন্তানের স্কুলের ব্যাগ গুছিয়ে দেন। তখন ছোটরাও হাত বাড়ায়—একটু চা, একটু কফি।চা ও কফি নিষিদ্ধ পানীয় নয়। আবার শরীরের জন্য অতি প্রয়োজনীয়ও নয়। বাংলাদেশের ঘরে চা মানে আতিথেয়তা। অতিথি এলে চাভর্তি কাপ এগিয়ে দেওয়া রীতি।
তাই ঘরের শিশু-কিশোরেরাও তাড়াতাড়ি এই অভ্যাসে ঢুকে পড়ে।চা–কফিতে থাকে ক্যাফেইন। এটা গাছের পাতা আর বীজে প্রাকৃতিকভাবে থাকে। শরীরে ঢুকলে কিছুক্ষণ জেগে থাকার অনুভূতি হয়। ঘুম কাটিয়ে চোখ খোলে। কথা বলতে ইচ্ছা করে।কিন্তু এটা কোনো খাবারের উপাদান নয়। ক্যালসিয়াম বা আয়রনের মতো শরীর এটা চায় না। বড়দের জন্যও একটা সীমা আছে। সুস্থ–সবল প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে দিনে ৪০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত সাধারণত সহনীয় ধরা হয়। ছোটদের শরীর হালকা।
মস্তিষ্ক এখনো গড়ে উঠছে।
সূত্র: প্রথম আলো