ডাকসুর বর্তমান কমিটি অতিরিক্ত তিন মাস দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেলেও তাদের এক বছরের মেয়াদ নানা বিতর্ক ও সমালোচনায় ঘেরা ছিল। বিশেষ করে প্রশাসনের ভূমিকাকে পাশ কাটিয়ে শিক্ষক মূল্যায়নের ওয়েবসাইট চালু করা, ডাকসু সংগ্রহশালায় ছবি বদল এবং জসীমউদ্দীন ও মুনীর চৌধুরীসহ খ্যাতনামা লেখকদের ভুল ছবি টাঙানোর মতো ঘটনা ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।
এক বছর পূর্ণ হওয়ার পর ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের’ নেতারা ৪১টি খাতে এক হাজারের বেশি উদ্যোগ বাস্তবায়ন এবং অন্তত ৩৬টি প্রকাশনা বের করার দাবি করেছেন। বর্তমান ভিপি আবাসন, পরিবহন সংকট ও নারী নিরাপত্তার মতো ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখার কথা বললেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে অর্থ বরাদ্দ না দেওয়ার অভিযোগ তোলেন; যদিও প্রশাসন এসব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করেছে।
এদিকে উচ্ছেদ অভিযানের নামে লাঠিপেটা, মাঠে খেলতে যাওয়া শিশুদের শাস্তি প্রদান এবং শিক্ষক হেনস্তার মতো ঘটনায় ডাকসুর নেতাদের এখতিয়ারবহির্ভূত আচরণের সমালোচনা উঠেছে। ছাত্র সংসদকে দলীয় প্রভাবমুক্ত রাখা, স্বচ্ছ হিসাব প্রদান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে নিয়মিত নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো