ইয়েমেনের হোদেইদাহ ও মোখা শহরের মধ্যবর্তী লোহিত সাগর উপকূলীয় শহর আল-খোখা থেকে হুতি বিদ্রোহীদের তীব্র আক্রমণের মুখে ইয়েমেনি সরকারি বাহিনী যখন পালাতে শুরু করে, তখন সাঈদ হাসানের দুই ছেলে তড়িঘড়ি বাড়ি ফিরে তাঁকে বিষয়টি জানান।শুরুতে বিষয়টি খুব স্বাভাবিকভাবে দেখেন সাঈদ হাসান। তিনি দুই ছেলেকে আশ্বস্ত করে বলেন, হয়তো কৌশলগত কারণে সরকার সাময়িকভাবে সেনা সদস্যদের অন্য জায়গায় সরিয়ে নিচ্ছে।
তাই চিন্তার কিছু নেই।কিন্তু ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সাঈদের ছেলেরা আবারও জানান, বিপুলসংখ্যক সেনা নিজেদের অবস্থান ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। এবার সাঈদ নিজেই বাড়ি থেকে বের হয়ে পরিস্থিতি দেখতে গেলেন।
সেখানে গিয়ে তিনি হতবাক হয়ে যান।১ লাখ ইয়েমেনি সেনার সমন্বয়ে হুতিদের বিরুদ্ধে অভিযানের পরিকল্পনা সৌদির, সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশ‘আমি দেখলাম, বিপুলসংখ্যক সেনা সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে এলাকা ছেড়ে যাচ্ছেন,’ বলেন সাঈদ।সেদিন সন্ধ্যায় সাঈদ বাড়ি ছেড়ে পালানোর সিদ্ধান্ত নেন।
সূত্র: প্রথম আলো