বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজারগুলোর একটি মধ্যপ্রাচ্য। দেশের বিপুলসংখ্যক কর্মী সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার ও ওমানে কাজ করছেন। তাঁদের পাঠানো অর্থ দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। অথচ যে ভাষায় এসব দেশের অধিকাংশ কর্মী ও নিয়োগকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়, সেই আরবি ভাষা শেখানোর বিষয়টি এখনো আমাদের দক্ষ জনশক্তি তৈরির কাঠামোয় যথাযথ গুরুত্ব পায়নি।
এটি শুধু প্রশিক্ষণব্যবস্থার দুর্বলতা নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে কর্মীদের নিরাপত্তা, আয়, মর্যাদা এবং দেশের রেমিট্যান্স সম্ভাবনা। প্রশ্ন হলো, বিদেশে কর্মী পাঠানোর আগে আমরা তাঁদের কারিগরি দক্ষতা যাচাই করি, স্বাস্থ্য পরীক্ষা করি, কাগজপত্র প্রস্তুত করি; কিন্তু যে দেশে তাঁরা যাবেন, সেই দেশের মৌলিক ভাষা শেখানোর ক্ষেত্রে কেন এত অনীহা?
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে রেকর্ড ৩৫ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।
সূত্র: প্রথম আলো