চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের সাহেবগঞ্জে গেলে এমন একটি দৃশ্য চোখে পড়বে, যা প্রথম দেখায় খুব সাধারণ বলেই মনে হতে পারে। গ্রামের সরু রাস্তা, দুই পাশে বাড়িঘর, সবুজ মাঠ আর মানুষের প্রতিদিনের ব্যস্ততা। এর মধ্যেই কোথাও দেখা যায় পুরোনো ইটের দেয়াল। দেয়ালটি একটু এগিয়ে গেলে আবার হারিয়ে যায় ঝোপঝাড়ের আড়ালে, তারপর অন্য জায়গায় আবার দেখা দেয়। মনে হয়, কোনো একসময় এখানে বড় কিছু ছিল। আরও ভেতরে গেলে রহস্যটা আরও গভীর হয়।
পুরোনো দেয়ালের পাশে ভাঙা কক্ষের সারি, পুকুর, ছড়িয়ে থাকা ইট আর একটি উঁচু কাঠামো দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে সেটিকে দুর্গের মিনারের মতো মনে হয়। কিন্তু সেখানে নেই কোনো বড় সাইনবোর্ড, নেই পর্যটনকেন্দ্রের পরিচিতি, নেই এমন কোনো ফলক যেখানে লেখা আছে এই স্থাপনাটি কার, কত বছরের পুরোনো, কেন নির্মিত হয়েছিল।স্থানীয় মানুষের কাছে জায়গাটি বহুদিনের পরিচিত। কিন্তু এর ইতিহাস নিয়ে তাঁদের কথাতেই সবচেয়ে বেশি ভিন্নতা।
কেউ বলেন এটি পর্তুগিজদের তৈরি দুর্গ, কেউ বলেন ব্রিটিশ আমলের নীলকুঠি, আবার কেউ এর সঙ্গে জমিদারবাড়ি বা ঔপনিবেশিক কোনো বড় স্থাপনার সম্পর্ক খুঁজে পান।
সূত্র: প্রথম আলো