প্রতিবছর ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবসে সভা, সেমিনারে শিক্ষকের মর্যাদা ও জাতি গঠনে তাঁদের অবদানের কথা সাতকাহন করে উচ্চারিত হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষকের ছবি দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। বক্তৃতার মঞ্চে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা শিক্ষককে বলেন জাতি গঠনের কারিগর, আলোকবর্তিকা, সভ্যতার নির্মাতা।তারপর?শিক্ষক দিবস চলে যায়, আলোচনাও ধীরে ধীরে স্তিমিত হয়ে আসে।
শিক্ষকের জীবনে থেকে যায় সেই পুরোনো প্রশ্নগুলোই: সর্বোচ্চ কোনো গ্রেডে যেতে পারেন, পদোন্নতি কবে, ভ্যাকেশন বিভাগ থেকে মুক্তি কি আদৌ মিলবে, গবেষণার সুযোগ কোথায়, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা কোথায়, আর রাষ্ট্রীয় মর্যাদার বাস্তব প্রতিফলনই–বা কোথায়?শ্রদ্ধা অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু একটি নির্মম সত্য আমাদের স্বীকার করতে হবে: সম্মান দিয়ে সংসারের বাজার করা যায় না। মর্যাদার সনদ দিয়ে সন্তানের শিক্ষার ব্যয় মেটানো যায় না।
বক্তৃতায় শিক্ষককে জাতির কারিগর বললে তাঁর পদোন্নতির ফাইলও এগোয় না।
সূত্র: প্রথম আলো