আপনার স্বপ্নের ভবিষ্যতের পেশার কথা ভাবছেন? আপনি কি আধুনিকতম সফটওয়্যার তৈরি করতে চান, বৈশ্বিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড পরিচালনা করতে চান, স্বাস্থ্যসেবা খাতে কাজ করতে চান, কিংবা বাংলাদেশের মাটিতে নিজের কোনো প্রতিষ্ঠান শুরু করতে চান? তাহলে একটি বিষয় জেনে রাখুন: শ্রেণিকক্ষের সাধারণ ইংরেজি শিক্ষা এখন আর যথেষ্ট নয়। ইংরেজি এখন আর স্রেফ পরীক্ষায় পাস করার বিষয় কিংবা সুন্দর জীবনবৃত্তান্ত লেখার উপাদান নয়।
এটি এখন এক বাস্তব সুপারপাওয়ার বা পরম শক্তি, যা আকর্ষণীয় ক্যারিয়ার, কর্মক্ষেত্রের আত্মবিশ্বাস এবং আন্তর্জাতিক সুযোগের দরজা খুলে দেয়। কিন্তু মুশকিল হলো, বাংলাদেশে একটি বড় ধরনের ব্যবধান এখনো রয়ে গেছে: ক্লাসে শিক্ষার্থীদের শেখা প্রথাগত ইংরেজির সঙ্গে বাস্তব কর্মক্ষেত্রের চাহিদার প্রায়শই মিল থাকে না।নিয়োগকর্তারা অভিযোগ করেন যে নতুন স্নাতকেরা চাকরিভিত্তিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হন।
চিন্তা করুন একজন মেধাবী প্রকৌশলীর কথা যিনি ইংরেজির ব্যাকরণ ভালো জানেন, কিন্তু একটি প্রযুক্তিগত সফটওয়্যার রিপোর্ট কীভাবে লিখতে হয় তা জানেন না; কিংবা এমন একজন ব্যবসায়িক স্নাতকের কথা, যিনি বিদেশি ক্লায়েন্টের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে কথা বলতে বা দর–কষাকষি করতে পারেন না।
সূত্র: প্রথম আলো