সরকারি বা বেসরকারি খাত—কোথাও কর্মসংস্থানের পরিস্থিতি খুব একটা ভালো নয়। এমন সময়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপত্র পেয়েও ৯১৮ প্রার্থী চাকরিতে যোগ দেননি। সরকারি চাকরির তীব্র প্রতিযোগিতা, সুযোগ-সুবিধা ও চাকরির নিরাপত্তার কারণে যেখানে সরকারি চাকরিকে দীর্ঘদিন ধরে ‘সোনার হরিণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেখানে নিয়োগপত্র পেয়েও এত বিপুল প্রার্থীর যোগ না দেওয়ার বিষয়টি বিস্ময় তৈরি করেছে।
সহকারী শিক্ষক পদটি সরকারি বেতনকাঠামোর ১৩তম ধাপের (গ্রেড)। ২০২৬ সালের নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী, এ পদে শুরুতে ভাতাসহ মোট বেতন হবে সর্বনিম্ন প্রায় ৩৬ হাজার টাকা। ফলে বেতনের দিক দিয়ে চাকরিটি আগের চেয়ে আকর্ষণীয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ধারণা করছেন, যোগ না দেওয়া প্রার্থীদের অনেকেই হয়তো অন্য কোনো চাকরি করছেন বা অন্য কোনো কাজে যুক্ত আছেন। সে কারণেই নিয়োগপত্র পেয়েও তাঁরা এ চাকরিতে যোগ দেননি।
তবে যোগ না দেওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি।চট্টগ্রাম জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ও সুপারিশ পেয়েছিলেন ৫৫১ জন।
সূত্র: প্রথম আলো