ডায়াবেটিসের কারণে পায়ের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলে ধীরে ধীরে কমে যেতে পারে পায়ের অনুভূতি। ফলে পায়ে ক্ষত সৃষ্টি হলেও অনেক সময় টের পাওয়া যায় না। এ সমস্যাকে বলে ‘ডায়াবেটিক পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি’। এই পরিবর্তন শনাক্ত করতে ব্যবহার করা যায় ভাইব্রাসেন্স নামের ছোট একটি যন্ত্র।পরীক্ষার সময় পায়ের নির্দিষ্ট স্থানে যন্ত্রটির কম্পনদণ্ড রাখা হয়। এরপর নিয়ন্ত্রিত কম্পন প্রয়োগ করা হয়।
রোগী কখন কম্পন অনুভব করছেন, তার ভিত্তিতে তাঁর কম্পন অনুভূতির সীমা নির্ধারণ করা হয়। অর্থাৎ খুব হালকা কম্পন থেকে শুরু করে রোগী যে পর্যায়ে প্রথম কম্পনটি অনুভব করতে পারেন, সেই মাত্রাটি নথিভুক্ত করা হয়। স্নায়ুর অনুভূতি কমে গেলে সাধারণত কম্পন অনুভব করতে তুলনামূলক বেশি মাত্রার কম্পন প্রয়োজন হয়। তাই পরীক্ষায় পাওয়া বেশি মান স্নায়ুর সংবেদন কমে যাওয়ার ইঙ্গিত। ফলাফল পরবর্তী পরীক্ষার সঙ্গে তুলনা করার জন্য সংরক্ষণ করা যায়।
একবার পুরো চার্জ দিলে এটি ৭০ বারের বেশি পরীক্ষা করা যায়।
সূত্র: প্রথম আলো