সংবাদ সম্মেলনে রাকিবুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জানান ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার মহিদুল ইসলাম। আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এইচএসসি পরীক্ষা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে এক মাস আগে টাঙ্গাইল থেকে ঢাকায় আসে রাকিবুল ইসলাম (১৭)। ওঠেন শেওড়াপাড়ার একটি মেসে। পূর্বপরিচিত আব্দুল্লাহ আল মামুন (২৫) নামে একজন ফোন করে ডেকে নেওয়ার পর আর বাসায় ফেরেনি এই কিশোর।
পরে পুলিশের তদন্তে জানা যায়, রাজধানীর শুক্রবাদের একটি বাসায় নিয়ে তাঁকে হত্যা করা হয়। পরে গুম করতে কার্টনে ভরে লাশ নিয়ে যাওয়া হয় নীলফামারী। সেখানে একটি সুপারি বাগানের ভেতরে লাশটি মাটিচাপা দেওয়া হয়। আগে থেকেই মুক্তিপণ আদায় করতে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। দেওয়া হয় হত্যার হুমকিও। জীবিত ফিরে পাওয়ার আশায় পরিবারের সদস্যরা মুক্তিপণের টাকাও দেন।
তারপরও খুঁজে না পেয়ে দুদিন পর ঢাকায় এসে কাফরুল থানায় রাকিবুল নিখোঁজ হওয়ার তথ্য জানিয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তাঁর বড় ভাই জহিরুল ইসলাম।
সূত্র: প্রথম আলো