মধু ও মৌমাছিভুক পাখিটিকে প্রথম দেখি রাজশাহী থেকে ট্রেনযোগে কুষ্টিয়া যাওয়ার পথে পাকশীর হার্ডিঞ্জ সেতুতে ওঠার ঠিক আগমুহূর্তে। তবে ট্রেনের দ্রুতগতির কারণে সঙ্গে ক্যামেরা থাকা সত্ত্বেও ছবি তুলতে পারিনি। ঠিক এক মাস পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ উদ্যানে পাখিটির ছবি তুলতে সক্ষম হলাম। এরপর বিভিন্ন সময়ে দেখেছি ঢাকার জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান, কক্সবাজারের সোনাদিয়ায় যাওয়ার পথে কুতুবজোম এলাকায় এবং বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে।
সর্বশেষ ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে পাখিটিকে দেখলাম মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ থানার কুরমা পক্ষী অভয়াশ্রমে।পরের বছর উড়োজাহাজের সঙ্গে পাখির সংঘর্ষের ওপর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের অর্থায়নে একটি প্রকল্পে কাজ করার সুযোগ পাই। এর উদ্দেশ্য ছিল হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভেতর ও বাইরে অবস্থানরত পাখিদের একটি তালিকা তৈরি করা।
এ কারণে প্রায় দেড় বছর বিমানবন্দর ও তার ১০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধে অবস্থানকারী পাখিদের নিয়ে জরিপের কাজ করেছিলাম।
সূত্র: প্রথম আলো